শেষমেষ জন্মটা তার দিন ঠিক করেই হয়েছিল। জানুয়ারির ৩০শে ৩৯ সপ্তাহ পূর্ণ হবার সাথে সাথেই ডাক্তার একরকম বলে দিলেন, আর নর্মাল ডেলিভারির জন্যে অপেক্ষা করায় তাঁর একেবারে মত নেই। আমাদেরও বিশেষ বিরোধিতা ছিল না। সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে পরের দিন সকালে হসপিটালে ভর্তি হয়ে গেলাম আমরা।
বিকেল সাড়ে চারটেয় অপারেশন। মা বেশ ফুরফুরে মেজাজেই শুয়ে শুয়ে সেখানে চলে গেল। আমি বাইরে অপেক্ষায় রইলাম। রুহান মায়ের পেট থেকে বেরলো পাঁচটা সাত এ।
জন্মের পরেই রুহান খুব কেঁদেছিল। অপারেশন থিয়েটারের বাইরে বাচ্চা দেখবার জন্যে অপেক্ষা করতে করতে অনেক দূর থেকেই আমি সেটা শুনতে পাচ্ছিলাম। যখন ওকে আমার সামনে নিয়ে এল, তখনও সে তারশ্বরে চেঁচাচ্ছে। গোলাপি রঙের একটা ছোট্ট বাচ্চা, তোয়ালে মোড়া। তোয়ালেটা খুলে দেখাল - একি, এ তো পুচকি মেয়ে নয়, এ তো একটা হালুম বাঘা। বাবা হিসেবে একটা ফর্মে সেটা লিখে আমাকে সই করতে হল।
বিকেল সাড়ে চারটেয় অপারেশন। মা বেশ ফুরফুরে মেজাজেই শুয়ে শুয়ে সেখানে চলে গেল। আমি বাইরে অপেক্ষায় রইলাম। রুহান মায়ের পেট থেকে বেরলো পাঁচটা সাত এ।
জন্মের পরেই রুহান খুব কেঁদেছিল। অপারেশন থিয়েটারের বাইরে বাচ্চা দেখবার জন্যে অপেক্ষা করতে করতে অনেক দূর থেকেই আমি সেটা শুনতে পাচ্ছিলাম। যখন ওকে আমার সামনে নিয়ে এল, তখনও সে তারশ্বরে চেঁচাচ্ছে। গোলাপি রঙের একটা ছোট্ট বাচ্চা, তোয়ালে মোড়া। তোয়ালেটা খুলে দেখাল - একি, এ তো পুচকি মেয়ে নয়, এ তো একটা হালুম বাঘা। বাবা হিসেবে একটা ফর্মে সেটা লিখে আমাকে সই করতে হল।
No comments:
Post a Comment