| Evernote helps you remember everything and get organized effortlessly. Download Evernote. |
ছোট্ট রুহান
ছোট্ট রুহানের একটু একটু করে বড় হবার গল্প
Saturday, March 28, 2015
Evernote:OD
Tuesday, March 3, 2015
বক - বকি
Friday, February 27, 2015
হঠাৎ করে
Tuesday, February 24, 2015
goole search
Wednesday, February 18, 2015
app store
Friday, February 13, 2015
তোমার বাবা
আমরা এতোদিন এটাই চেয়েছিলাম যে, বাবান প্রশ্নটা নিজের থেকে করুক। আগে থেকে আমরা ওকে কিছু বলে দেবো না। তাই করলো।i আশাকরি এবার বাবানের এই প্রসঙ্গটা মনে থাকবে। আমি তারপরেই বললাম - এই তো তুমিই আমার বাবা। বললো - না আমি তোমার ছোট্ট পুঁচু, বলে আমার কোলের মধ্যে ঢুকে আদর খেতে লাগলো।
Saturday, January 10, 2015
আদরের ম্যাও :-)
ছোটবেলায় একটা গল্প শুনেছিলাম, কার কাছে সেটা এখন মনে নেই, তবে গল্পটা এরকম - রামায়ণে সেতুবন্ধনের সময় রামচন্দ্রকে একটা কাঠবিড়ালী তার গায়ের মধ্যে করে বালি এনে দিয়ে সেতু বাঁধতে সাহায্য করেছিল। রামচন্দ্র আদর করে কাঠবিড়ালির পিঠে হাত বুলিয়ে দিয়েছিল এবং সেই থেকেই তাই ওদের পিঠে অমন দাগ। সত্যি এটা গল্প হিসেবে খুবই কিউট একটা গল্প, কিন্তু বাস্তবটা আমার কাছে আরও কিউট। তাই এই গল্পটাকে আমার মনে এনে দিল।আমার বাড়িতেও এমনই একটা ছোট্ট কাঠবিড়ালি আছে। আমাকে অনেক সাহায্য করে। তবে তাকে কাঠবিড়ালি না বলে এমনি বিড়াল বলাই ভালো কারণ আমি তাকে ম্যাও বলেই ডাকি। এই তো আজ রাতে তাকে ঘুম পাড়ানোর আগে বিছানা ঝাড়ার সময় বললাম ম্যাও বিছানা থেকে চিরুনিটা তুলে নাও। বলা মাত্রই খুব ব্যাস্ত হয়ে চিরুনি তুলে ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার খুলে তাতে চিরুনি ভরে আবার বন্ধ করে দিল। তারপর বললাম সারা ঘরে জামা কাপড় ছড়িয়ে আছে , সোনা তুমি ওগুলো তুলে নিয়ে একটু লন্ড্রী ব্যাগে দিয়ে দাওনা। কথাটা শুনেই সংগে সংগে তার নিজস্ব ভংগিতে একটা একটা করে সেগুলো তুলে নিয়ে ব্যাগে রেখে এলো। ব্যাগটা একটু দূরেই রাখা আছে।এরকম ছোট খাটো কাজ বা সাহায্য সারাদিনে সে এতো করে থাকে যে আমি একটা লেখায় তা ধরাতে পারবো বলে মনে হচ্ছেনা। (তবে বড়দের কাছে যেটা ছোট তার কাছে সেটা ছোট নয়। কারণ সে নিজেই এখন ভীষণ ছোট) আমার কাছাকাছি জলের বোতল না থাকলে সংগে সংগে আমি তো আবদারের গলায় শুরু করি বাবান একটু জল দাওনা। বাবান অমনি হ্যাঁচড় প্যাঁচড় করে এক লিটারের একটা জলের বোতল রান্নাঘর থেকে আমাকে এনে দিলো। তবে এনে দিয়েই সে কিন্তু ক্ষান্ত হয়না, নিজেও মনে মনে একটা গর্ব বোধ করে আর আমার আদরের লোভে গলাটা বাড়িয়ে দিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে, আদর করে দিলে লজ্জা পেয়ে হাসতে হাসতে চলে যায়।সব সময় যে শুধু কাজ করে তা কিন্তু নয়। অকাজও করে। আমি হয়তো বললাম ম্যাও ওলেটা আয়নার পিছনে রেখে এসো। সে সেটা রেখে আরও পাঁচটা জিনিস সেখান থেকে বের করে ঘরের মেঝেতে ছড়ায়। তখন মনে হয় উফফ কেন আমি বললাম! আর নিজের খেলনা ছড়ানোর কথা তো লেখার দরকার আছে বলে মনে হয়না। খেলনাগুলো খেলনার ঝুড়িতে রেখে আসতে বললে ওই একই কাজ করে একটা রাখে আর দশটা....আজকাল তার সব কথা শোনার পরেই ইমিডিয়েট নকল করা চাই সংগে দু একটা ছোট খাটো সেন্টেন্সেও। পা দিতে নেই। হাত ধুই। ভাত দি। ভাত দিচ্ছি। আইপ্যাড দি। তাই তাই তাই, মামার বাড়ি যাই। এই সমস্ত কথা সে বলে তবে সবই তার মিষ্টি মিষ্টি আধো উচ্চারণে।শুনতে খুব মজা লাগে। যদি বলি ঘুম পাড়িয়ে দাও। তখন আ আ করে গান করে থাবড়ে থাবড়ে আমাকে ঘুম পাড়াতে থাকে। কোনো গান শুনলে সেটার সুরটা করার চেষ্টা করে। গান শুনলে অবশ্য না নেচে থাকতে পারে না। বাজনা শুনলেও নাচ হয়ে যায়।ম্যাও বয়সের দিক থেকে খুব ছোট্ট মাত্র এক বছর সাড়ে তিন মাসের, তা হলে কি হবে, তাকে আমার ছোট্ট ভাবতে ইচ্ছেই করে না। কারণ আমার সমস্ত কথা না হলেও অন্তত বেশিরভাগ কথাই যেন সে বুঝতে পারে। সে আমার সংগে ফাজলামিটাও করে যেন বুঝে বুঝে। একেবারেই কানাই মাস্টারের বিড়াল ছানা '... আড়ে আড়ে চায় মুখপানে, এমনি সে ভান করে যেন যা বলি বুঝেছে তার মানে।' সত্যি আমার ছানা বিড়ালটাও সেদিক থেকে যেন কোনো অংশে কম যায় না। সে ছোট্ট ছেলে নয়। ছোট্ট একটা মানুষ। তাই তার সংগে সারাদিন আমি খেলা করে, গল্প করে, আনন্দ করে অনায়াসে কাটিয়ে দিতে পারছি। সেও আমাকে আনন্দ দিতে পারে শুধু খেয়ে, ঘুমিয়ে আর কেঁদে দিন কাটিয়ে দেয় না। সে রীতিমতো বাড়ির একজন এনটিটি। আমার ছোট্ট ম্যাও। সোনা তোমাকে এত্তো আদর আর চুমু উমমাহ!!১৭.৫.১৩
Tuesday, January 6, 2015
ব্ল্যাকমেলিং :)
শিশু দিবস।
আজ বাবান তার জলের বোতলটা হাতে নিয়েই আমাকে বললো - তোমার জলের বোতলটা নিয়ে এসো, ইয়া
আজ বাবান আমাকে বলেছে - মা তোমার চোখে জল কেনো? আমি বললাম তুমি খুব ছোট্ট তো, তাই ত
Tuesday, November 18, 2014
শিশু দিবস
Saturday, November 1, 2014
লোগো
Wednesday, October 22, 2014
ব্ল্যাকমেলিং :)
Monday, June 30, 2014
বিছানাটা ঘুরছে।
Friday, June 27, 2014
ছোট মাসিমণির বাড়ি
Thursday, June 19, 2014
আমি লিখছি।
Thursday, May 22, 2014
মা
আমি তাতা লিখে দিয়ে বলেছি কি লিখেছি বলোতো? লেখাটা দেখে একটু ভেবে ফিচফিচ করে হেসে বললো পিকু। ওর তাতার নাম পিকু।
ইংরেজি a b c d এগুলো কিছুকিছু চেনে।
just, disturb, wait, see you এই শব্দগুলোর ব্যবহার খুব সুন্দরভাবে করতে শিখেছে।
Monday, April 7, 2014
পাস্ট টেন্স
Saturday, March 22, 2014
প্রথম ট্রেনে চড়া
সকালে উঠে বাবান তাঁদের সংগে অনেক গল্পও করেছে।
Wednesday, February 26, 2014
I love you
তারপর যথারীতি এটা নিয়ে আমরা ভাবতে লাগলাম ওকে কে শেখালো, কোথা থেকে শিখলো? কোনো খারাপ দিক ভেবে না জাস্ট একটা কৌতুহল থেকে। কারণ ও তো এখন প্রতিদিনই নতুন নতুন কিছু না কিছু শিখছে তাই।
অবশেষে সেটা আমরা উদ্ধার করতে পেরেছি। কিভাবে সেটাও একটা মজার ব্যাপার। বাবান নিজের থেকে জল খায়না কোনোদিন। সেই ছোট্ট থেকেই জোর করে খাওয়াতে হয়। আজকাল একটা নতুন পথ বের করেছি। মীনাম্মার (দিপীকা পাড়ুকন) কোনো সিনেমা চালিয়ে দিলে মোটামুটি সেটা দেখিয়ে কিছুটা খাওয়াতে পারি। ছেলে মীনাম্মা আর চিন্নাইয়ের (শাহরুখ খান) খুব ভক্ত। কয়েকটা সিনেমা রেকর্ড করে রেখেছি। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চালালে কাজ হাসিল হয়ে যায়। পরশু রাতে জল খাওয়ানো নামক কাজটা হাসিল করতে 'ওম শান্তি ওম' চালিয়ে ছিলাম। সেখানে দেখি শাহরুখ খান এক হাতে মদের বোতল আর এক হাতে সম্ভবত একটা চিরুনি নিয়ে বলেছে আই লাভ ইউ। :)
Friday, November 22, 2013
নমত্তার
Tuesday, November 12, 2013
দেখভাল
Monday, October 21, 2013
মানা এতোওওহ!
গত সপ্তাহে আমি বাথরুমে দাঁড়িয়ে মাথায় একটা হেয়ার টনিক লাগাচ্ছিলাম। বাবান বাইরে থেকে আমাকে ডাকছিল তার সংগে খেলার জন্য। অনেকবার ডেকে ডেকে অস্থির হয়ে যাচ্ছিল, আমি বললাম বাবান দাঁড়াও আর একটু, এই হয়েই এসেছে। দেখলো এভাবে ডেকে হচ্ছেনা। তখন আদর বা আবদার যাই বলি না কেনো সেই সুরে বলতে লাগলো - মানা এতোওহ! মানাআহ! এতোহ!
কিছু টুকরো স্মৃতি।
পুজোর সময় একদিন রাতে আমি ভাত খাচ্ছি, পুপুন খেয়ে উঠে মেশিনে বাসন দিচ্ছে। সেই সময় বাবান আমার সামনে এসে হ্যাঁচর প্যাঁচর করে টেবিলে ওঠার চেষ্টা করছে আর বলছে - উফ্ বসতে পাচ্চিনা। সে গলায় অদ্ভুত একটা অস্পষ্ট হতাশা! খুব মিষ্টি শোনাচ্ছিল।
লক্ষ্মী পুজোর দুদিন আগে পিসিভাই এর বাড়ি গেলাম হাসু আসবে শুনে। হাসু দাদাভাই এর ছেলে। বয়স তিন বছর একমাস। যথারীতি সেও বাবানের দাদাভাই। হাসু আসা মাত্রই বাবান ছোটরাণী ছোটরাণী করে তার কোলে ঝাঁপিয়ে চলে গেল। তার আগে সে ছোটরাণীকে একটুও পাত্তা দিচ্ছিল না।
তারপর হাসুকে দাদা দাদাভাই বলে ডাকা হলো, সে কাছে আসার পরেই তাকে আদরের ভংগিতে দুহাত বাড়িয়ে বাবু বাবু করে কাছে টেনে নিতে চাইলো। কিছুদিন আগে ওর বাবাকেও দুহাত দিয়ে দাড়িটা ধরে বাবু বাবু করে আদর করেছে। এখন বাবাকে আদর মানেই বাবু আর মাকে আদর মানেই মানা।
একদিন বিকেলে জল খাওয়াচ্ছি টিভি চালিয়ে কারণ ও add দেখলে চুপচাপ খেয়ে নেয় না হলে খুব ঝামেলা করে। একটা সিরিয়াল চলছিল ও দেখেই বললো 'মৌচাক'. তার তলায় নিচে ছোট করে আর একটা সিরিয়ালের add দিচ্ছিল। আমাকে সেটা দেখিয়ে বললো 'সখী'...
কোনো দোষ করলে যদি বকা দি, সংগে সংগে তিনিও বড়দের ভংগিতে তর্জনীটা ঠোঁটের কাছে নিয়ে গিয়ে বলেন চুপ। এখন নতুন হয়েছে - বোকোনা। আমি ছোতো।
কাল সন্ধেবেলা টিভির সামনে দাঁড়িয়ে টিভি দেখছে, বললাম অতো সামনে থেকে দেখোনা বাবা বকবে। সংগে সংগে জবাব এলো - বাবা দিল্লী দেছে। সত্যিই ওর বাবা কাল সন্ধ্যেতে দিল্লী গেছে।
Tuesday, October 8, 2013
সেন্টেন্স
বাবান মাস খানেক আগে থেকেই সেন্টেন্স বলতে শুরু করেছে। এখন সেটা আরো স্পষ্ট হয়েছে। মোটামুটি বেশিরভাগ কথাই ও বুঝতে পারে। মাঝে মঝে নিজের থেকে খুব সুন্দর সুন্দর কথা বলে। একদিন ও সীতাভোগ খাচ্ছে, আমি জিজ্ঞেস করলাম কী খাচ্ছো সোনা? প্রথমে বললো বাত তারপর বললো মিত্তিবাত। ও ভ - টাকে ব বলে। এইরকম নানান ধরনের কথা ও বলে সব লেখা হয়নি তাই অনেক কথাই ভুলে গেছি।
এখন একটা বড় কাজ হল আমাকে বা ওর বাবাকে কিছু খেতে দেখলে সেটা খাইয়ে দেওয়া। সংগে সংগে বায়না করে আমাদের হাত থেকে চামচ নিয়ে বলে খাইয়ে দিচ্চি, বলে খাওয়ায় আর প্রতিটা চামচ মুখে দিয়েই জিজ্ঞেস করে ভালো? একটু আগেও তাই করলো, আমি দুধ কর্নফ্লেক্স নিয়ে বসেছিলাম আমার থেকে নিয়ে আমাকে কিছুটা খাইয়ে দিয়ে বাকিটা নিজে খেলো সম্পূর্ণ একা। ওই বড় চামচ সামলে গুছিয়ে সুন্দর করে একটুও নষ্ট করেনি। শুধু দুধ পড়ে প্যান্টটা একটু ভিজে গেছে।
কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তরও দেয় ঠিক ঠিক। বাবা কোথায় যায়্, মা কোথায় যায়, তোতো কোথায় থাকে, তাতা কোথায় থাকে? এইধরনের প্রশ্ন বা সে নিজে যখন যা করে বা কাউকে কিছু করতে দেখে। সকালে উঠেই বাবাকে ঘর মুছতে দেখে বললো বাবা দর (ঘ কে দ বলে ) মুছছে। দিদুন নান্না করছে।
আজ দুপুরে দিদুন ভাত খাচ্ছিলো। বাবান গিয়ে জিজ্ঞেস করলো বাত থাচ্চো?? ওর বাবা অফিস থেকে ফিরে এসে জল খাচ্ছে তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো জন থাচ্চো? বাবান ল কে ন আর খ কে থ বলে। যখন বলে খুব মিষ্টি শোনায়। সন্ধ্যেবেলা আমাকে ডাকছে... আয় আয় সিরিয়াল হচ্ছে। আর একবার ডেকে নিয়ে গেলো চেয়ারে উঠবে বলে। উঠেই আমাকে বললো বতেচি। বললাম কোথায় বসেছো? বললো চেয়ারে বতেচি। নিজের থেকে কথা বলা ছাড়াও যে যা বলছে তাই শুনেও সংগে সংগে বলা হয়ে যাচ্ছে।
আইপ্যাড অপারেট করার কথা আর লিখছি না, শুধু এটুকু বলবো ওর আইপ্যাডের যেখানে যা ভিডিও আছে সেগুলো দেখতে চাইলে ও ইমিডিয়েট দেখিয়ে দেয়। কোথায় কোন ভিডিওটা আছে সব ওর নখদর্পণে। আমরা খুঁজে না পেলেও ও খুঁজে বের করে দেয়।
"আমি" কথাটা এখন মানে বুঝে বলতে পারে। স্পষ্ট করে বলে দেয় "আমি এসেছি"।
Friday, August 30, 2013
সকাল হলে দুধ সুজি
দুপুর হলে ভাত।
জল খাওয়ার সময় হলে
সবার মাথায় হাত।
বিকেল হলে দই চিঁড়ে
আপেল কুচি কখনো বা
জল মুড়িও চলে।
সন্ধেবেলা চা দেখলেই
বিতুন খাবো বলে।
রাত আটটা বাজলে পরে
ভাতের থালা হাতে নিয়ে
দিদুন আসে চলে।
ধরাবাঁধা নিয়ম হলে ভাল্লাগেনা অতো।
ডালি খাওয়া ছেড়ে দিলাম মনোটোনাস বলে
মায়ের সংগে এই নিয়ে তাই রোজ ঝামেলা চলে।
Wednesday, August 7, 2013
ফুল
তখন ফাজলামো করে এক চোখ বুজে এমন একটা অদ্ভুত হাসি দিলো কি আর বলবো - যেটা ওর ফাজলামোটাকে আরো স্পষ্ট করে দিলো।
বোঝা গেলো ও আমার সংগে তখন যতটা পারা যায় ফাজলামোই করতে চাইছিলো। কিন্তু সত্যি বাবানের ওই চাওয়াটা আমাকে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেওয়াতে আমার মনটা ভীষণ আনন্দে ভরে গেছিলো।
এওরকম নানান সব ছোট ছোট তুচ্ছ ঘটনায় সারাদিন মন ভরতে থাকে, কিন্তু সব আর লেখা হয়ে ওঠেনা।
মা নেই বাথরুমে!
সেটা থেকে দাঁড়িয়েছে - কেউ বাড়ি নেই মানেই বাথরুমে, এমনকি ওর বাবা ব্যাঙ্গালোর বা দিল্লি গেলে কাঁদতে কাঁদতে বলে বাবা নেই, বাবা বাথরুমে।
Monday, July 22, 2013
কোলাভেরি ডি
Friday, July 19, 2013
বাবান
কাল শুভ (আমার দিদির ছেলে) বাবানকে ডাকছে রুহান রুহান বলে, তাই শুনে বাবান মুনুকে (আমার ভাইঝি ) বলছে দাকছে দাকছে। আমি তাকে বললাম তোমার বাবা দিল্লী গেছে। সে শুনে বললো - দিল্লী বাবা। এখন যদি জিজ্ঞেস করি বাবা কোথায়? বলে দিল্লী।
বিকেলে বলেছে - আমি ডালি খাব। ডালিয়াকে বলে ডালি। খুব ধীরে ধীরে কেটে কেটে মিষ্টি করে বলেছে।
গত পরশুদিন রুহানের বাবার জ্বর এসেছে বলে গায়ে চাদর চাপা দিয়ে শুয়েছিল। সেটা বাবান কিছুতে সহ্য করতে পারছিলোনা। সে খুব ব্যস্ত হয়ে গিয়ে বাবার চাদরটা টেনে খুলে দিচ্ছে, মুখে মুখ দিয়ে হামি করে দিচ্ছে, নিজের খাবারটা বাবাকে দিচ্ছে খাইয়ে দেওয়ার জন্য। নিজের জুতো খুজেঁ নিয়ে আসছে বাবা পরিয়ে দেবে বলে। মোদ্দা কথা যতরকম করে পারে বাবাকে active রাখতে হবে। অমন মুখে চাপা দিয়ে শুয়ে থাকলে চলবেনা সেটা তার একটুও ভালো লাগেনা ভীষণ কষ্ট হয়ে যায়।
Saturday, May 18, 2013
আদরের ম্যাও
Friday, May 17, 2013
মায়া
কতদিন বাবানকে নিয়ে লিখিনি। আসলে একটুও সময় করে উঠতে পারছিনা। এর মধ্যে বাবান অনেক কিছু বলতেও শিখেছে। এক বছর একমাস বয়সের পর থেকেই সে কথা বলার চেষ্টা করতো অল্প অল্প। তার কিছুদিন পর থেকেই যা শুনতো তাই নকল করতো. তবে আজকাল নকলটা সে হুবহু করতে পারে। আমি সকালে বললাম বইয়ে পা দিতে নেই, তাই শুনে সে বইয়ের উপরে উঠে দাঁড়িয়ে জোরে জোরে বলতে লাগলো ' পা দিতে নেই!' জানলার ধারে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে বলছে আয় আয় টু দিয়ে যা। ওটা আমি শেখাইনি ওর আয়ার কাছ থেকে শিখেছে।
আজ রাতে ঘুমোতে পারছিলো না তাই আমায় ডেকে বলেছে মায়া। মানে মায়াবন হরিণী গানটা শুনে ও ঘুমোতে চায়. গানটা করে দিতেই ঘুমিয়ে গেছে। আমার প্রচণ্ড ঘুম পেয়েছে তাই শর্টকাটে লিখে রাখছি আর পারছিনা.
Wednesday, March 20, 2013
Tuesday, March 12, 2013
Thanku
থ্যাঙ্কইউ --
বলেই মিষ্টি করে হেসে দিয়েছে। তখন আমি আর মা তো হতবাক, আবার একই সঙ্গে আনন্দে আত্মহারা! কি ভালো যে লেগেছে কি বলব। তারপর ধরে এত্তো আদর করে দিয়েছি আমার ছোট্ট সোনাইটাকে।
Saturday, March 9, 2013
শনিবার সকালে
ওর ঘুমোনোর একটাই গান আছে। অন্য অনেক গান ও পছন্দ করে, কিন্তু আমার কাছে ঐ একটা গান শুনেই ঘুমোতে চায় --
মায়া বন বিহারিণী হরিণী, গহন স্বপন সঞ্চারিণী,
কেন তারে ধরিবারে করি পণ, অকারণ ...
থাক থাক নিজমনে দূরেতে, আমি শুধু বাঁশরীর সুরেতে
পরশ করিব সেই প্রাণমন, অকারণ ...
Monday, February 25, 2013
আরো একটু বড়
তাকে জোর করে কিছু করানো যায় না, সেটা করতে গেলে খুব রাগ করে আর বকে দেয়। দিদুনকে তো মারে। রাগ করে নিজের গালে নিজেই চড় ও মারে।
তার একটা খেলনা প্লাস্টিকের ডান্ডার উপর ছোট থেকে বড় হিসেবে রিং সাজাতে হয়। বাবান সেগুলো একটা একটা করে সাজায় আর নিজেই হাত তালি দেয়, কেউ না দিলে। একদিন ডিশ ওয়াশার থেকে একটা বাসন তুলে এনে সেটাকে মেঝেতে রেখে হাত তালি দিলো। যা দেখে তাই নকল করে। কেউ কান পরিষ্কার করলে নিজের কানে আঙুল দেয়।
তবে বকাটা খুব বোঝে। কেউ যদি সোনাইকে বকে, চোখ দেখায়, বা একটু জোরে কথা বলে, তাহলে ঠোঁট ফুলিয়ে খুব দুঃখ করে কান্না হয়ে যায়।
কেউ কলিং বেল বাজালে বা ফোন করলেই বলে "কে?" কে তো বলতে পারে না, বলে "তে?" বলে দৌড়ে যায়, যেখানেই থাকুক। মোবাইল ফোন বাজলে মামা - মামা বলে চিৎকার করতে থাকে। একদিন বলা হয়েছিল মামা ফোন করেছে।
বাজায় বাজায় বাজায়
রান্না
দাঁত
বাবান হাঁটতে শিখেছে একটু তাড়াতাড়িই বলা যায়. আর কথাবার্তা? উফ! বাড়ির সবাই একেবারে তার প্রশ্নে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে! সকালে ঘুম থেকে ওঠাটা তার শুরুই হয় ' কি এতা? কে এতা? ' প্রশ্ন দিয়ে, এবং চলে রাতে ঘুমনোর আগে অবদি.
আইপ্যাড, ফোন, ল্যাপটপ এগুলো হচ্ছে তার হার্টথ্রব. সে আমার আইফোনটা অতন্ত্য সুন্দরভাবে অপারেট করতে পারে. প্রথমে বড় সুইচটা টিপে তারপর স্লাইড করে অন করতে হয়. বাবান সেটা খুব যত্ন করে এবং বুঝে করতে পারে. কিছু কিছু আইকন তার চেনা সেগুলো খুলতে পারলে সে খুশিতে নেচে ওঠে. তারপর গান চালিয়ে দিয়ে তো এমনিই নাচতে থাকে.
টাটা যাওয়া, বিস্কুট খাওয়া এগুলো তার পছন্দের কাজ. অবশ্য শুধু বিস্কুট নয় যেকোনো সলিড খাবার বিশেষ করে বড়রা যেগুলো খায় সেগুলো খুবই পছন্দের. ভাত খাওয়ার সময় মাছটা নিজে দেখিয়ে দেয়, দেরী করলে তর সয় না. এখন একটু হালকা ঠান্ডা তাই টাটা যেতে হলে টুপি মাথায় দিতে হয় বলে টুপিটা নিজেই এনে দেয় বা টুপির কথা শুনলে বলে তাতা তাতা. জুতোকে বলে 'পা', বিছানা থেকে নিচে নামতে হলেই বলে পা পা. লিকুইড জল বা দুধ খাওয়াটায় এখনো সেই কষ্টই রয়ে গেছে, রীতিমতো যুদ্ধ করেই খাওয়াতে হয়. বেদনার রস কিন্তু পছন্দ করে খায়.
আমরা যা কথা বলি তার দু একটা বা মুখে যদি কোনো আওয়াজ করি কিংবা অঙ্গ ভঙ্গি করি বাবান সেটাই নকল করে. আর শুভদাদার সংগে তো রীতিমতো পাল্লা দিয়ে ফাজলামো করে. সে যেন সমবয়সী বন্ধু. এখন দিদুন বা আমি বা কেউ যদি হামি চায় সেটা তার মুডের উপর নির্ভর করে দেবে কি দেবে না!
চোখ, নাক, চুল, হাত পা কই জিগ্যেস করলে দেখাতে পারে তবে সেটাও মুড. চার পাঁচটা বই আছে সেগুলো যখন মন যায় পড়ে এবং মন দিয়ে. বইয়ের ছবিগুলো দেখাটাতেই বেশি ঝোঁক অবশ্য. খবরের কাগজ এখন আর ছেঁড়ে না setao মন দিয়ে পড়ার ভান করে. কার্টুন ছবি বা মুভি দেখতে খুব ভালবাসে. ক্রিকেট খেলাও দেখে. বিজ্ঞাপনও খুব পছন্দের বিষয়. তিনি বিকেলের ঘুম দিয়ে উঠলেন আর লেখা সম্ভব নয়!
Sent from http://bit.ly/hrFXfA
Saturday, February 2, 2013
তোমার জন্মদিন
তোমার প্রথম জন্মদিন হলেও আমরা খুব একটা জাঁকজমক করিনি ঐদিন। শুধু বাড়ির লোকজন - তোমার দাদান, বৌঠান, কাকুমণি, দুই রাণী, দিদুন আর শুভদাদা। বাইরের লোক বলতে শর্মিষ্ঠামাসি, জয়িতামাসি, তার বর আর মেয়ে ঐশীদিদি।
সকাল থেকে শুভদাদা আর শর্মিষ্ঠামাসি বাড়িটা সাজিয়েছিল বেলুন আর ঝিলমিলে কাগজ আর ফুল দিয়ে। এই সব শর্মিষ্ঠামাসিই নিয়ে এসেছিল। সে তোমাকে এত্তো ভালবাসে, দুষ্টু বলে ডাকে। তুমিও তাকে দুত্তু বলো। রান্না আমি আর তোমার বাবা দুজনে করেছিলাম। আমি আগের দিন রাতে মাছ, মাংস আর মটর পনির রান্না করে রেখেছিলাম। জন্মদিনের দিন সকালে পায়েস, চাটনি আর ফ্রায়েড রাইস বানিয়ে ছিলাম। বিকেলে বাবা বানিয়েছিল বিরিয়ানি আর বড় বড় লংকা ভাজা। আর ছিলো আইস্ক্রিম আর ব্রাউনি, একটা বড়ো চকোলেটের বার্থডে কেক, কিছু চকোলেট আর ম্যাংগো শট।
ঐদিন সবাই আসতে দেরি করেছিল। দাদানরা কি একটা কাজে দেরি করলো, তার উপর সেদিন তারা গাড়িতে না এসে বাসে এসেছিল। বড়রানির দেরি হয়েছিল ট্রেনের গন্ডগোলের জন্য আর ছোটোরানির অফিসের কাজের চাপের জন্য। এমনিতে তোমাকে রোজ বারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে খাওয়ানো হয়। সেদিন সবাই তখনো এসে পৌঁছতে না পারার জন্য আমি বেলা একটা আবধি অপেক্ষা করে তারপর তোমাকে ভাত খাইয়ে দিয়েছিলাম। বিকেলে পায়েসটা কিন্তু দাদানই খাইয়েছিল। তুমি অনেকটা পায়েস খেয়েছিলে, সবাই অবাক হয়েছিল কারণ তুমি তার আগে কোনো মিষ্টি জিনিস মুখে দিলে খেতে চাইতে না। পায়েসটা তুমি খুব পছন্দ করেই খেয়েছিলে।
সন্ধ্যেবেলা কেক কাটা হলো। তোমার হাত ধরে আমিই কেটে দিলাম। কাটার পরে তোমার মুখে দিতে দেরি হচ্ছিলো বলে তুমি রাগ করছিলে। তাই আমি কাটার ছুরিটা দিয়েই তোমাকে খাইয়ে দিলাম। তোমার কেক খাওয়া দেখেও সবাই হেসেছিল। তুমি খপখপ করে ঐ ক্রিম মাখানো কেকটাও অনেকটা খেয়েছিলে। সারাদিনটাই সেদিন তুমি খুব খুশিতে কাটিয়েছিলে একটুও বায়না করোনি। অনেক রাত অবধি ঐশীদিদির সংগে খেলা করেছিলে।
ঐদিন আমার সবচেয়ে মজা লেগেছিল তোমার কাকুমণির তোমাকে গিফট দেওয়ার ব্যাপারটায়। সে তোমার জন্য তিনটে ক্যাডবেরি এনেছিল, একটা ডেয়ারি মিল্ক আর দুটো ফাইভ স্টার। ব্যাগ থেকে চকোলেটগুলো বের করে আমাকে দেখালো। তুমি খেতে পারবে কিনা জিগ্যেস করলো। বললাম বড়টা পারবে, ছোটোগুলো পারবে না। তখন 'আমারো তাই মনে হয়েছিলো বলে চট করে ছটো ফাইভ স্টার দুটো ব্যাগে ঢুকিয়ে নিয়েছিলো।
Friday, January 25, 2013
সোনাই এখন যা যা পারে
কেউ বাইরে গেলে বা তাকে নিয়ে কেউ ঘুরতে গেলে বলে টাটা!
যদি বলি হামি দাও বা আদর করো তাহলে সে তার ভঙ্গিতে নাক খেয়ে আদর করে দেয়.
কিছু আনতে বললে যেমন তার গাড়ি, সাইকেল, ব্যাট, বল, আমার মোবাইল এছাড়াও
তার কিছু খেলনা যেগুলোর সঙ্গে সে পরিচিত সেগুলো এনে দেয়!
জল খেতে বললে সেটা শোনা মাত্রই বলে আঃ!
জুতোকে বলে পা, তাই জুতো পরতে হবে বললেই পা পা করে অস্থির করে দেয়!
দাদা, বাবা, মামা, দিদি, মামমা এগুলো সে বুঝে ডাকে!
ফোনেও কথা বলার সময় ফোনের অন্য পাড়ের লোকের অনেক কথাই বুঝতে পারে! কিছু
কথা আবার শুনে নকলও করে তখন!
চা দেখলেই বলে চা, বিস্কুট এর কৌটো দেখলেই খুশিতে চোখ জ্বল জ্বল করে ওঠে
এবং সঙ্গে সঙ্গে চাইতে শুরু করে দিতে দেরি হলে জোরে জোরে চিতকার আরম্ভ
করে দেয়! সেটা অবশ্য যেকোনো খাবার দেখলেই, বিষেশ করে বড়দের খাবার!
কোনো জিনিসে যদি হাত না পায় সেটা আনার কৌশলও সে পারে যেমন বলটা ব্যাট
দিয়ে আনা, বিস্কুট আনতে হলে আগে ট্রেটা ধরে টেনে নেওয়া! এইসব পদ্ধতি!
ন্যাপি বদলাতে বললে নিজে সঙ্গে সঙ্গে মুখে টান টান বলতে বলতে টান টান হয়ে
শুয়ে পড়া!
Wednesday, January 23, 2013
রুহানের চিঠি
দাদান, বৌঠান এবং কাকুমণি,
৩১ শে জানুয়ারি বৃহস্পতিবার আমার জন্মদিন! আমার মা- বাবা জন্মদিনে আমাকে অনেককিছু রান্না করে খাওয়াবে! তাই আমি চাই ওইদিন তোমরা সবাই আমার সঙ্গে আমাদের বাড়িতে এসে খাবে! আসা চাই চাই চাই নইলে আড়ি আড়ি আড়ি!
দাদান তুমি তো খুব ব্যাস্ত থাকো, তাই তোমাকে বলছি -
ছোট্ট রুহান পায়েস খাবে
দাদান এলে পরে,
রানীরা সব উলু দেবে
ঠোঁটটি গোল করে!
দাঁড়িয়ে থেকো আমার পাশে
আশিষ নিয়ে সাথে,
খাওয়া হলেই খেলবো আমি
রয়েছি এই আশে!
ব্যাট বলটি দোকান থেকে
দিয়েছে কিনে বাবা,
তুমি আমি খেলবো মিলে
তাতেই হবে মজা!!
ইতি
তোমাদের আদরের ছোট্ট রুহান!
Friday, January 18, 2013
মামমা
কোনো নতুন জিনিস দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে কি এটা? এই যে, আজকাল আবার হয়েছে দুদিকে ঘাড় নাড়িয়ে স্পষ্ট করে না না বলে 'না' কথাটা বুঝিয়ে দেওয়া! খুব মিষ্টি লাগে তখন! বাবান এর চেনা-জানা জিনিস দেখিয়ে আনতে বললে বাবান সেটা এনে দেয়, দেওয়ার পর থ্যাঙ্ক ইউ বললে ও খুশি হয়ে একগাল হেসে দেয়!
সোনাই এর বাবা যদি আমায় ফোন করে তাহলে সে ফোনে আমার আর কোনো অধিকার থাকে না, বায়না করে হাত থেকে কেড়ে নিয়ে নিজে বাবা বাবা করে ঘুরে ঘুরে কথা বলে, নানা ধরনের মনের কথাও উতফুল্ল হয়ে বলা হয়ে যায়! বলার সময় উতসাহে খুশিতে মুখ দিয়ে নাল- জোল বেরিয়ে যায়! আমার দেখতে ভীষণ মজা লাগে! তবে শুধু বাবার ফোন নয় যে কেউ ফোন করলেই স্পিকার অন করে আমাকে তার জিম্মায় দিয়ে দিতে হয়!
আস্তে আস্তে সোনাই এইভাবেই আমাদের চোখের সামনে একদিন বড় হয়ে যাবে! এখনো তার একবছর বয়স হয়নি, একবছর হতে আর মাত্র কটাদিন বাকি! সেটাও দেখতে দেখতে এসে গেল! এখন আর লেখা সম্ভব নয়! সে এসে গেছে এবং ভীষণভাবে আমাকে চাইছে! লিখলে খুব রাগ করছে!
Sunday, January 13, 2013
পৌষ পার্বণ
আজ সোনাই দাদান আর বৌঠানের সংগে handshek করে লজ্জা লজ্জা করে হেসে শুরুতে ভাব করেছে. বাবান কাল খুশি হয়ে আমার মুখটা এমন আঁচর দিয়েছিল আজ তার দাগগুলো স্পষ্ট হয়ে গেছে! একটু আগে সোনাই ঘুমের মধ্যে কেঁদে উঠেছিল, মনে হয় দুঃস্বপ্ন দেখেছিল! আদর করে দিতে আবার ঘুমিয়ে গেছে.
Thursday, November 29, 2012
দশ মাসে ছোট্ট সোনাই
সোনাই জুতোকে বলে পা, মোজাটা দেখতে পেলে নিজেই নিয়ে আসে। নিজের জামা প্যান্ট গুলো নিয়ে খেলতে খুব পছন্দ করে। নতুন জামা পরিয়ে দিলে খুব খুশি হয়ে ভাবে আমরা কোথাও বেড়াতে যাবো। এখন হাঁটাটা stable হয়ে এসেছে, খুব একটা টলমল করে না, অনেকটা দূর অবধি হাঁটতে পারে। যখন কোন জিনিসের কাছে তাড়াতাড়ি পৌঁছনো দরকার, তখন হাঁটা ছেড়ে হামাগুড়ি দিয়ে নেয়। নিজের চিরুনি বা ব্রাশটা পেলেই আগে চুল আঁচড়ে নেয়। আয়না দেখে আঁচড়াতে বললে সঙ্গে সঙ্গে তাই করে। কাছে যে থাকে তারও চুল আঁচড়ে দেয়।
দিদুনের কাছেও তার কিছু দাবী আছে। রোজ সকালে কোলে নিয়ে ঘুরে ঘুরে দেয়ালে টাঙানো তার ছবিগুলো দেখাতে হয়। আমি ন্যাপি বের করলে টানটান হয়ে শুয়ে পড়ে, জানে মা চেঞ্জ করাবে। রাতে মশারি টাঙিয়ে দিয়ে শুয়ে পড়তে বললে শুয়ে নিজেই গান করতে করতে বা খেলতে খেলতে ঘুমিয়ে যায়। তবে পাশে আমাকে থাকতে হয়। হয়ত ওর বাবা বা দিদুন থাকলেও চলবে।
সোনাই সবথেকে বেশি যেটা বোঝে তা হল - আমি কারো কাছে ওর গল্প করছি। তখন সে আমার দিকে সুন্দর করে তাকায় আর একটু লজ্জা পেয়ে মিষ্টি মিষ্টি করে হেসে দেয়। বাড়িতে লোক এলে খুব ভাল লাগে, তাদের সঙ্গে খেলা করে। তবে তারা যাবার সময় ঝামেলা করে, তাই তাদের লুকিয়ে যেতে হয়। আজকাল হাত নেড়ে টাটা বলতে শিখেছে। বাবা অফিস যাবার সময় টাটা করে। কাল দাদান আর বৌঠান যাবার সময় সুন্দর করে টাটা করেছে, তারাও খুশি হয়েছে। আমার সঙ্গে ওর নানা ধরণের খুনসুটি আছে। আজকাল সকালে উঠে আর হামি করে না, রাতে ঘুমোনোর সময় হামি করে দেয়। আমি বকলে হামি করে দেয়, বাবাকে বা খুব চেনাদেরও হামি দেয়, আদর করে দেয়। এই হল আমার দশ-মাসের ছোট্ট সোনাই।
Friday, November 2, 2012
ন-মাস বয়সে
দিন দশেক আগে থেকে দু-বেলাই ভাত খেতে দিচ্ছি। ভাতটা পছন্দ করে খায়, কিন্তু ঝিনুক দিয়ে জল বা দুধ খাওয়াতে খুব হিমশিম খেতে হয় আমাদের। সোনাইয়ের শরীরটা মামাবাড়ি থেকে ফিরে অবধি ভালো নেই, ওখানে গিয়ে ঠান্ডা লেগে একটু জ্বর সর্দি হয়েছে। সোনাটা কবে যে সুস্থ হবে!
Monday, September 17, 2012
কষ্ট
Sunday, September 2, 2012
সোনাই
Wednesday, August 22, 2012
Friday, August 17, 2012
ধরে দাঁড়ানো
Friday, August 10, 2012
Wednesday, June 20, 2012
দুই রাণী
গল্পে যেমন হয়, বড়রাণী ছোটরাণীর তুলনায় একটু চুপচাপ। রাজাকে একটু বেশিই সম্মান করে চলে। রাজাকে ভয় পাবার ভানটা অন্তত করে। ছোটরাণীর দুষ্টুমি বেশি, রাজার সাথে সমানে সমানে চলে। রাজা বকা দিলে সেও উল্টে বকা দেয়।
Tuesday, May 15, 2012
উপুড় হওয়া
Wednesday, May 9, 2012
হো হো করে হাসি
Monday, May 7, 2012
সোনাই দাদা হল
Wednesday, April 25, 2012
তুই হেসে উঠলেই
"তুই হেসে উঠলেই সূর্য লজ্জা পায়,ছোট্ট বুড়ো বুড়ো এখন খুব মিষ্টি করে হাসে। রোজ সকালে প্রথম চোখে চোখ পড়লেই একগাল হেসে দেয়।
আলোর মুকুটখানা তোকেই পরাতে চায়।"
| বাবার সাথে সাথেঃ বড় বাঘ, ছোট বাঘ। |
