বাবানের বয়স গত পরশু ন-মাস পূরণ হয়েছে, সাড়ে আট মাস বয়েস থেকেই সে এক পা দু পা তিন পা ফেলতে শিখেছে। এখনো তাই, তার বেশি পারে না। কিন্তু কোনো কিছু ধরে হেঁটে বা হামাগুড়ি প্রচন্ড স্পিডে মূহুর্তের মধ্যে সে গোটা বাড়িটা ঘুরে ফেলতে পারে। মাস খানেক আগে থেকেই সে বাবা, মা, গিগি বলতো, এখন নতুন শিখেছে ভাই, তিত-তিত-তিত, আরো এটা সেটা নতুন আওয়াজ। ভাই কথাটা সে পূজোয় মামাবাড়ি গিয়ে জিশাদিদির থেকে নকল করেছে, জিশা তাকে ভাই বলে তো, তাই। এছাড়াও সে এখন যাকে যা কিছু করতে দেখে তাই নকল করার চেষ্টা করে। আজ দু-দিন হল খাট থেকে নিজে নিচে নামার চেষ্টা করেছে। সব থেকে বেশি ভাল পারে যেটা, সেটা হল কোন জিনিস চেয়েও না পেলে বিছানায় শুয়ে পড়ে হাত পা ছুঁড়ে কান্না। জেদটা খুব বেশিই হয়েছে দেখছি। কোনো জিনিস চাই-টা এত স্পষ্ট যে না পেলেই দুঃখ হয়ে যাচ্ছে। ঠোঁট ফুলিয়ে কান্নাটাও দারুণ শিখেছে।
দিন দশেক আগে থেকে দু-বেলাই ভাত খেতে দিচ্ছি। ভাতটা পছন্দ করে খায়, কিন্তু ঝিনুক দিয়ে জল বা দুধ খাওয়াতে খুব হিমশিম খেতে হয় আমাদের। সোনাইয়ের শরীরটা মামাবাড়ি থেকে ফিরে অবধি ভালো নেই, ওখানে গিয়ে ঠান্ডা লেগে একটু জ্বর সর্দি হয়েছে। সোনাটা কবে যে সুস্থ হবে!
দিন দশেক আগে থেকে দু-বেলাই ভাত খেতে দিচ্ছি। ভাতটা পছন্দ করে খায়, কিন্তু ঝিনুক দিয়ে জল বা দুধ খাওয়াতে খুব হিমশিম খেতে হয় আমাদের। সোনাইয়ের শরীরটা মামাবাড়ি থেকে ফিরে অবধি ভালো নেই, ওখানে গিয়ে ঠান্ডা লেগে একটু জ্বর সর্দি হয়েছে। সোনাটা কবে যে সুস্থ হবে!
No comments:
Post a Comment