বাবান এই প্রথম তার ছোটমণির বাড়ি এসেছে। বাবানের বয়স এখন দু বছর পাঁচ মাস। ছোটমণির ছেলে সোহম, মেয়ে সৃজা। বাবানের সোহমদাদা, সৃজাদিদি। বাবান সোহম বলে ডাকতেই পছন্দ করে, দাদা বলতে চায়না। বলে আমি দাদা ও সোহম।
আসার পরেই সোহম তাকে এত্তো মার্বেল গুলি বের করে খেলতে দিলো। বাবান এ জিনিসও প্রথম দেখলো। খুব খুশি হয়ে দুজনে খেলতে লাগলো। সোহম তাকে একটা আঙুল টেনে কি করে গুলি ছুঁড়তে হয় শেখাতে লাগলো, বাবান সেটা করার চেষ্টা করলো কিন্তু পারলোনা। গুলি ছোঁড়ার পক্ষে বয়সটা বড্ড কম। তবুও অনেকবার চেষ্টা করেছে। সোহম তাকে আরোও নানান খেলনা বের করে দিতে থাকলো, দুজনে খুব মজা করে খেলছিলো। সোহম মাঝে মাঝে কোনো ভুল ত্রুটি করলে বাবান তাকে বেশ ধমক দিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছিল তুমি এমন কোরোনা। এটা করতে নেই। সোহম খুবই দুষ্টু কিন্তু বাবানের কাছে তার দুষ্টুমি ধরা পড়লো না।
বাবানের ছোটমশাইয়ের নাম মনোজ। বাবান আমাকে জিজ্ঞেস করলো মশাইয়ের নাম কী? বলে দিলাম মনোজ ঘোষ। বেশ কিছুক্ষণ পর তাকে জিজ্ঞেস করলাম মশাইয়ের নাম কী? সে অনেক ভাবনা চিন্তা করে বললো এঞ্জিন ঘোষ।
বাবান একটু সর্দি কাশি নিয়েই এসেছিলো। ছোটমণির ঘরের জানলা দিয়ে বাইরে থেকে খুব ধোঁয়া আসায় তার কাশিটা থামতেই চাইছিলো না। শেষে একটু শ্বাস কষ্টও হয়ে গেছিলো। সেটা আরোও বাড়লো তার মামাবাড়ি এসে।
No comments:
Post a Comment