আমি বাথরুমে ঢোকাটা বাবানের কাছে কেন নিরাপদ নয় সেটা একদিন মাথায় এলো। আমি কলেজ বা অন্য যেকোনো কোথাও যাওয়ার আগে রেডি হওয়ার জন্য বাথরুমে ঢুকি ও সেটা দেখে। তারপর ওকে অন্য ঘরে নিয়ে গেলে আমি লুকিয়ে বেরিয়ে যাই। বাড়ি ফেরার সময়ও চলে এই পদ্ধতিটা ঠিক উল্টোভাবে। আমি বাড়ি আসার সংগে সংগে বাবানকে লুকিয়ে দেওয়া হয় অন্য ঘরে আমি ফ্রেশ হওয়ার জন্য চট করে বাথরুমে ঢুকে গেলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ন্যাচারালী সে মাকে বাথরুম থেকেই বেরোতে দেখে। ফলে ও ভাবে মা বাথরুমে ঢোকা মানে অনেকক্ষণের জন্য ভ্যানিশ হয়ে যাওয়া তাই আমি বাথরুমে ঢোকাটা ওর কাছে একটা আতঙ্ক, তাই এতো কান্নাকাটি করে।
সেটা থেকে দাঁড়িয়েছে - কেউ বাড়ি নেই মানেই বাথরুমে, এমনকি ওর বাবা ব্যাঙ্গালোর বা দিল্লি গেলে কাঁদতে কাঁদতে বলে বাবা নেই, বাবা বাথরুমে।
সেটা থেকে দাঁড়িয়েছে - কেউ বাড়ি নেই মানেই বাথরুমে, এমনকি ওর বাবা ব্যাঙ্গালোর বা দিল্লি গেলে কাঁদতে কাঁদতে বলে বাবা নেই, বাবা বাথরুমে।
বাবানের বাবা একদিন বাবানকে বলছিলো - বাবান তুমি এতো বোকা কেন? মা বাথরুমে ঢুকলে এতো কাঁদো? এটা বুঝতে পারো না যে মা বাথরুমে ঢোকা মানে তো সবচেয়ে সেফ। মা একক্ষুণি বাথরুম থেকে বেরিয়ে পরবে। ওখান থেকে তো আর কোথাও যাওয়ার যায়গা নেই একটাই তো দরজা। আমি বুঝি কেন সেফ নয়। তাই বাবানকে এই ব্যাপারে বোকা না বলে বেশি বোঝে বলাটাই বোধহয় ভালো।
No comments:
Post a Comment