আমার সোনা বাবান,
তোমার প্রথম জন্মদিন হলেও আমরা খুব একটা জাঁকজমক করিনি ঐদিন। শুধু বাড়ির লোকজন - তোমার দাদান, বৌঠান, কাকুমণি, দুই রাণী, দিদুন আর শুভদাদা। বাইরের লোক বলতে শর্মিষ্ঠামাসি, জয়িতামাসি, তার বর আর মেয়ে ঐশীদিদি।
সকাল থেকে শুভদাদা আর শর্মিষ্ঠামাসি বাড়িটা সাজিয়েছিল বেলুন আর ঝিলমিলে কাগজ আর ফুল দিয়ে। এই সব শর্মিষ্ঠামাসিই নিয়ে এসেছিল। সে তোমাকে এত্তো ভালবাসে, দুষ্টু বলে ডাকে। তুমিও তাকে দুত্তু বলো। রান্না আমি আর তোমার বাবা দুজনে করেছিলাম। আমি আগের দিন রাতে মাছ, মাংস আর মটর পনির রান্না করে রেখেছিলাম। জন্মদিনের দিন সকালে পায়েস, চাটনি আর ফ্রায়েড রাইস বানিয়ে ছিলাম। বিকেলে বাবা বানিয়েছিল বিরিয়ানি আর বড় বড় লংকা ভাজা। আর ছিলো আইস্ক্রিম আর ব্রাউনি, একটা বড়ো চকোলেটের বার্থডে কেক, কিছু চকোলেট আর ম্যাংগো শট।
ঐদিন সবাই আসতে দেরি করেছিল। দাদানরা কি একটা কাজে দেরি করলো, তার উপর সেদিন তারা গাড়িতে না এসে বাসে এসেছিল। বড়রানির দেরি হয়েছিল ট্রেনের গন্ডগোলের জন্য আর ছোটোরানির অফিসের কাজের চাপের জন্য। এমনিতে তোমাকে রোজ বারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে খাওয়ানো হয়। সেদিন সবাই তখনো এসে পৌঁছতে না পারার জন্য আমি বেলা একটা আবধি অপেক্ষা করে তারপর তোমাকে ভাত খাইয়ে দিয়েছিলাম। বিকেলে পায়েসটা কিন্তু দাদানই খাইয়েছিল। তুমি অনেকটা পায়েস খেয়েছিলে, সবাই অবাক হয়েছিল কারণ তুমি তার আগে কোনো মিষ্টি জিনিস মুখে দিলে খেতে চাইতে না। পায়েসটা তুমি খুব পছন্দ করেই খেয়েছিলে।
সন্ধ্যেবেলা কেক কাটা হলো। তোমার হাত ধরে আমিই কেটে দিলাম। কাটার পরে তোমার মুখে দিতে দেরি হচ্ছিলো বলে তুমি রাগ করছিলে। তাই আমি কাটার ছুরিটা দিয়েই তোমাকে খাইয়ে দিলাম। তোমার কেক খাওয়া দেখেও সবাই হেসেছিল। তুমি খপখপ করে ঐ ক্রিম মাখানো কেকটাও অনেকটা খেয়েছিলে। সারাদিনটাই সেদিন তুমি খুব খুশিতে কাটিয়েছিলে একটুও বায়না করোনি। অনেক রাত অবধি ঐশীদিদির সংগে খেলা করেছিলে।
ঐদিন আমার সবচেয়ে মজা লেগেছিল তোমার কাকুমণির তোমাকে গিফট দেওয়ার ব্যাপারটায়। সে তোমার জন্য তিনটে ক্যাডবেরি এনেছিল, একটা ডেয়ারি মিল্ক আর দুটো ফাইভ স্টার। ব্যাগ থেকে চকোলেটগুলো বের করে আমাকে দেখালো। তুমি খেতে পারবে কিনা জিগ্যেস করলো। বললাম বড়টা পারবে, ছোটোগুলো পারবে না। তখন 'আমারো তাই মনে হয়েছিলো বলে চট করে ছটো ফাইভ স্টার দুটো ব্যাগে ঢুকিয়ে নিয়েছিলো।
তোমার প্রথম জন্মদিন হলেও আমরা খুব একটা জাঁকজমক করিনি ঐদিন। শুধু বাড়ির লোকজন - তোমার দাদান, বৌঠান, কাকুমণি, দুই রাণী, দিদুন আর শুভদাদা। বাইরের লোক বলতে শর্মিষ্ঠামাসি, জয়িতামাসি, তার বর আর মেয়ে ঐশীদিদি।
সকাল থেকে শুভদাদা আর শর্মিষ্ঠামাসি বাড়িটা সাজিয়েছিল বেলুন আর ঝিলমিলে কাগজ আর ফুল দিয়ে। এই সব শর্মিষ্ঠামাসিই নিয়ে এসেছিল। সে তোমাকে এত্তো ভালবাসে, দুষ্টু বলে ডাকে। তুমিও তাকে দুত্তু বলো। রান্না আমি আর তোমার বাবা দুজনে করেছিলাম। আমি আগের দিন রাতে মাছ, মাংস আর মটর পনির রান্না করে রেখেছিলাম। জন্মদিনের দিন সকালে পায়েস, চাটনি আর ফ্রায়েড রাইস বানিয়ে ছিলাম। বিকেলে বাবা বানিয়েছিল বিরিয়ানি আর বড় বড় লংকা ভাজা। আর ছিলো আইস্ক্রিম আর ব্রাউনি, একটা বড়ো চকোলেটের বার্থডে কেক, কিছু চকোলেট আর ম্যাংগো শট।
ঐদিন সবাই আসতে দেরি করেছিল। দাদানরা কি একটা কাজে দেরি করলো, তার উপর সেদিন তারা গাড়িতে না এসে বাসে এসেছিল। বড়রানির দেরি হয়েছিল ট্রেনের গন্ডগোলের জন্য আর ছোটোরানির অফিসের কাজের চাপের জন্য। এমনিতে তোমাকে রোজ বারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে খাওয়ানো হয়। সেদিন সবাই তখনো এসে পৌঁছতে না পারার জন্য আমি বেলা একটা আবধি অপেক্ষা করে তারপর তোমাকে ভাত খাইয়ে দিয়েছিলাম। বিকেলে পায়েসটা কিন্তু দাদানই খাইয়েছিল। তুমি অনেকটা পায়েস খেয়েছিলে, সবাই অবাক হয়েছিল কারণ তুমি তার আগে কোনো মিষ্টি জিনিস মুখে দিলে খেতে চাইতে না। পায়েসটা তুমি খুব পছন্দ করেই খেয়েছিলে।
সন্ধ্যেবেলা কেক কাটা হলো। তোমার হাত ধরে আমিই কেটে দিলাম। কাটার পরে তোমার মুখে দিতে দেরি হচ্ছিলো বলে তুমি রাগ করছিলে। তাই আমি কাটার ছুরিটা দিয়েই তোমাকে খাইয়ে দিলাম। তোমার কেক খাওয়া দেখেও সবাই হেসেছিল। তুমি খপখপ করে ঐ ক্রিম মাখানো কেকটাও অনেকটা খেয়েছিলে। সারাদিনটাই সেদিন তুমি খুব খুশিতে কাটিয়েছিলে একটুও বায়না করোনি। অনেক রাত অবধি ঐশীদিদির সংগে খেলা করেছিলে।
ঐদিন আমার সবচেয়ে মজা লেগেছিল তোমার কাকুমণির তোমাকে গিফট দেওয়ার ব্যাপারটায়। সে তোমার জন্য তিনটে ক্যাডবেরি এনেছিল, একটা ডেয়ারি মিল্ক আর দুটো ফাইভ স্টার। ব্যাগ থেকে চকোলেটগুলো বের করে আমাকে দেখালো। তুমি খেতে পারবে কিনা জিগ্যেস করলো। বললাম বড়টা পারবে, ছোটোগুলো পারবে না। তখন 'আমারো তাই মনে হয়েছিলো বলে চট করে ছটো ফাইভ স্টার দুটো ব্যাগে ঢুকিয়ে নিয়েছিলো।
No comments:
Post a Comment