জুলাই শেষে বাবানের বয়স হবে পুরো দেড় বছর। সে জুন মাসের মাঝামাঝি থেকেই কিছু ছোট ছোট সেন্টেন্স বলতে শুরু করেছে। ভাত খেয়েছো? চা খেয়েছো? ভালো? ভাত খেয়েছি। আরো কিছু সেন্টেন্স যেগুলো শুনেই ইমিডিয়েট উচ্চারণ করার চেষ্টা করে সেগুলো স্পষ্ট হয়না তবে বোঝা যায় যে ও ওটাই বলতে চাইছে।
কাল শুভ (আমার দিদির ছেলে) বাবানকে ডাকছে রুহান রুহান বলে, তাই শুনে বাবান মুনুকে (আমার ভাইঝি ) বলছে দাকছে দাকছে। আমি তাকে বললাম তোমার বাবা দিল্লী গেছে। সে শুনে বললো - দিল্লী বাবা। এখন যদি জিজ্ঞেস করি বাবা কোথায়? বলে দিল্লী।
বিকেলে বলেছে - আমি ডালি খাব। ডালিয়াকে বলে ডালি। খুব ধীরে ধীরে কেটে কেটে মিষ্টি করে বলেছে।
গত পরশুদিন রুহানের বাবার জ্বর এসেছে বলে গায়ে চাদর চাপা দিয়ে শুয়েছিল। সেটা বাবান কিছুতে সহ্য করতে পারছিলোনা। সে খুব ব্যস্ত হয়ে গিয়ে বাবার চাদরটা টেনে খুলে দিচ্ছে, মুখে মুখ দিয়ে হামি করে দিচ্ছে, নিজের খাবারটা বাবাকে দিচ্ছে খাইয়ে দেওয়ার জন্য। নিজের জুতো খুজেঁ নিয়ে আসছে বাবা পরিয়ে দেবে বলে। মোদ্দা কথা যতরকম করে পারে বাবাকে active রাখতে হবে। অমন মুখে চাপা দিয়ে শুয়ে থাকলে চলবেনা সেটা তার একটুও ভালো লাগেনা ভীষণ কষ্ট হয়ে যায়।
কাল শুভ (আমার দিদির ছেলে) বাবানকে ডাকছে রুহান রুহান বলে, তাই শুনে বাবান মুনুকে (আমার ভাইঝি ) বলছে দাকছে দাকছে। আমি তাকে বললাম তোমার বাবা দিল্লী গেছে। সে শুনে বললো - দিল্লী বাবা। এখন যদি জিজ্ঞেস করি বাবা কোথায়? বলে দিল্লী।
বিকেলে বলেছে - আমি ডালি খাব। ডালিয়াকে বলে ডালি। খুব ধীরে ধীরে কেটে কেটে মিষ্টি করে বলেছে।
গত পরশুদিন রুহানের বাবার জ্বর এসেছে বলে গায়ে চাদর চাপা দিয়ে শুয়েছিল। সেটা বাবান কিছুতে সহ্য করতে পারছিলোনা। সে খুব ব্যস্ত হয়ে গিয়ে বাবার চাদরটা টেনে খুলে দিচ্ছে, মুখে মুখ দিয়ে হামি করে দিচ্ছে, নিজের খাবারটা বাবাকে দিচ্ছে খাইয়ে দেওয়ার জন্য। নিজের জুতো খুজেঁ নিয়ে আসছে বাবা পরিয়ে দেবে বলে। মোদ্দা কথা যতরকম করে পারে বাবাকে active রাখতে হবে। অমন মুখে চাপা দিয়ে শুয়ে থাকলে চলবেনা সেটা তার একটুও ভালো লাগেনা ভীষণ কষ্ট হয়ে যায়।
No comments:
Post a Comment