রুহানের জন্মের চার দিন থেকে এগারো দিন - এই এক সপ্তাহ ছিল আমাদের সবথেকে টেনশনের সময়। সত্যি বলতে এতটা কেন, এতটার কাছাকাছিও টেনশন জীবনে আর কখনো হয়েছে বলে আমার মনে হয় না।
শনিবার হসপিটাল থেকে ছেড়ে দেবে, বাড়ি যাব, এমনই ঠিক ছিল। জামা কেনা হয়ে গেছিল, পুঁচুর দোলনা খাট ও। কিন্তু শনিবার ভোরবেলা যখন সে খেতে এল তখন দেখা গেল তার জ্বর। সে খেল না, গলা দিয়ে শুধু এক কাতর আওয়াজ বের করল।
সকালে জ্বর দাঁড়াল 100.8 ডিগ্রি। টেস্ট করে পাওয়া গেল CRP 26.5, আর ডাক্তার বললেন সেপসিস। আমি মোবাইল থেকে নেট ঘেঁটে দেখলাম, অসুখটা ভাল না। শনিবার বিকেল থেকে ছোট্ট রুহানকে নিয়ে গেল NITU তে, হাতে চ্যানেল করে শুরু হল ইঞ্জেকশন। আমি জীবনে কখনও হসপিটালে ভর্তি হইনি, আর ও চারদিন থেকে এগারোদিন বয়স পর্যন্ত এভাবে কাটাল।
সময়টা ছিল শুধুই অপেক্ষার, আর দুশ্চিন্তার। অবশেষে একসময় সেই সময় শেষ হল। আমরা বাড়ি এলাম 11ই ফেব্রুয়ারি। রুহান তখন এগারো দিনের।
শনিবার হসপিটাল থেকে ছেড়ে দেবে, বাড়ি যাব, এমনই ঠিক ছিল। জামা কেনা হয়ে গেছিল, পুঁচুর দোলনা খাট ও। কিন্তু শনিবার ভোরবেলা যখন সে খেতে এল তখন দেখা গেল তার জ্বর। সে খেল না, গলা দিয়ে শুধু এক কাতর আওয়াজ বের করল।
সকালে জ্বর দাঁড়াল 100.8 ডিগ্রি। টেস্ট করে পাওয়া গেল CRP 26.5, আর ডাক্তার বললেন সেপসিস। আমি মোবাইল থেকে নেট ঘেঁটে দেখলাম, অসুখটা ভাল না। শনিবার বিকেল থেকে ছোট্ট রুহানকে নিয়ে গেল NITU তে, হাতে চ্যানেল করে শুরু হল ইঞ্জেকশন। আমি জীবনে কখনও হসপিটালে ভর্তি হইনি, আর ও চারদিন থেকে এগারোদিন বয়স পর্যন্ত এভাবে কাটাল।
সময়টা ছিল শুধুই অপেক্ষার, আর দুশ্চিন্তার। অবশেষে একসময় সেই সময় শেষ হল। আমরা বাড়ি এলাম 11ই ফেব্রুয়ারি। রুহান তখন এগারো দিনের।
| বাড়ি ফেরার পর বারো দিন বয়সে ছোট্ট রুহান |
No comments:
Post a Comment